ম্যাচ পাতানোর জন্য ‘পতিতা সঙ্গ’র
প্রস্তাব পেয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার লু ভিনসেন্ট। আর
অধিনায়ক ক্রিস কেয়ার্নসের ‘সরাসরি হুকুমে’ ম্যাচ পাতিয়েছিলেন বলে তার দাবি।
ক্রিস কেয়ার্নসের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দেয়ার মামলার শুনানিতে সাক্ষ্য
দিতে গিয়ে সোমবার এসব কথা বলেন লু ভিনসেন্ট। এছাড়া প্রতি ম্যাচ পাতানোর
জন্য তিনি ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পান বলে জানান। কেয়ার্নস ও ভিনসেন্ট ২০০৮
সালে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট লিগে (আইসিএল) চন্ডিগড় লাইন্স দলের হয়ে খেলেন। ম্যাচ
ফিক্সিংয়ের অভিযোগে গত বছর সব ধরনের ক্রিকেটে আজীবন নিষিদ্ধ হন ভিনসেন্ট।
শুনানিতে ভিনসেন্ট জানান, ম্যাচ পাতানোয় জড়াতে তাকে বুঝিয়েছিল দলের অধিনায়ক
কেয়ার্নস নিজে। আদালতে কেয়ার্নসের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া ব্যহত করার
অভিযোগ নিয়ে মামলা চলছে। এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। ২০১২ সালে
আইপিএল প্রতিষ্ঠাতা ললিত মোদির বিরুদ্ধে ১৪ লাখ পাউন্ডের মানহানির মামলা
করেছিলেন কেয়ার্নস। ওই মামলায় জিতেছিলেন তিনি। এখন ওই মামলা নিয়ে উল্টো
কেয়ার্নসই বিপদে। মোদির বিরুদ্ধের ওই মামলায় তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন
বলে অভিযোগ। নতুন এ অভিযোগে আদালতে চলমান মামলার শুনানিতে সাক্ষী দিতেই
এসেছিলেন ভিনসেন্ট। তিনি বলেন, ভারতে আসার পর তাকে এক ভারতীয় ব্যক্তি অর্থ ও
পতিতা সঙ্গের প্রস্তাব দিয়েছিল। সে প্রস্তাব প্রত্যাখান করেন ভিনসেন্ট।
পরে এ কথা তিনি চন্ডিগড় দলেল অধিনায়ক কেয়ার্নসকে জানান। কেয়ার্নস জবাব দেন,
তুমি সঠিক কাজটাই করেছো। এখন তুমি আমার জন্য কাজ করছো। লন্ডনের সাউথওয়ার্ক
ক্রাউন আদালতে ভিনসেন্ট বিচারকের সামনে আরও বলেন, তিনি ৪ টি খেলায় ইচ্ছা
করে খারাপ খেলেছিলেন।
Showing posts with label Nejam Kutubi Wish. Show all posts
Showing posts with label Nejam Kutubi Wish. Show all posts
‘পতিতা সঙ্গ’র প্রস্তাব পেয়েছিলেন ভিনসেন্ট
Posted by Anonymous
Posted on 1:43 AM
with No comments
Labels:
Nejam Kutubi Wish
Background of 1971 Liberation War
Posted by ATM COX
Posted on 12:46 AM
with 3 comments
After the independence of India in 1947, Pakistan was divided into two wings – East and West Pakistan. The people of East Pakistan - who were predominantly Bengali – increasingly felt economically and culturally oppressed by West Pakistan. In 1970, the political party Awami League representing the aspirations of those in East Pakistan, who sought greater autonomy, won the elections for the whole of Pakistan. However, West Pakistani leaders refused to establish the Parliament, and on the night of 25 March 1971 its army initiated a military crackdown named “Operation Searchlight” in Dhaka, killing thousands of people in the city including students in Dhaka University campus. This was the beginning of the war that resulted in the creation of Bangladesh out of what was East Pakistan. It is known as the Bangladesh Liberation War or War for the Independence of Bangladesh, which lasted for nine months until the surrender of Pakistani forces on 16 December 1971.
Labels:
Nejam Kutubi Wish
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ভাষাশহীদদের স্মরণ : শোকের মিনারে গৌরবের গান
Posted by ATM COX
Posted on 5:21 PM
with 1 comment
হাতে ফুল, কণ্ঠে অমর একুশের গানে হূদয় নিংড়ানো ভালোবাসা। নগ্নপদ মিছিল। এই পথ চলায় কোনো ক্লান্তি নেই। দীর্ঘ অপেক্ষায়ও নেই কোনো শ্রান্তি। সারিবদ্ধ মিছিল। হাজারো মানুষের চোখে-মুখে দৃপ্ত শপথ। হারানোর শোক ছাপিয়ে ওঠা গভীর শ্রদ্ধা। সবার পথেরই শেষ ছিল শহীদ মিনার। অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে গতকাল রোববার সারা দেশ ছিল উদ্বেলিত। সমগ্র জাতি অপার শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় স্মরণ করেছে মৃত্যুঞ্জয়ী ভাষাশহীদদের এবং গৌরবোজ্জ্বল সেই দিনটিকে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার পর একুশে ফেব্রুয়ারি পালনে এ দিনটিতে এসেছে নতুন ব্যঞ্জনা। গতকাল তাই কর্মসূচিজুড়ে শোক ও শ্রদ্ধা প্রকাশের পাশাপাশি ছিল উত্সবের আমেজ। একুশের চেতনা রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারও দেখা গেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাই বিকৃত বাংলা উচ্চারণ বন্ধ, সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার এবং বাংলাকে জাতিসংঘের ভাষা হিসেবে দেখার আকুতিও ছিল তাদের মধ্যে। একুশের প্রথম প্রহর থেকেই শুরু হয় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। রোববার মধ্যরাতে একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, ডেপুটি স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেত্রী শহীদদের প্রতি সম্মান জানান। এরপর বেদিতে ফুল দিয়ে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে সর্বস্তরের মানুষ। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঘিরে ছিল লোকে লোকারণ্য। তরুণ-যুবাদের সঙ্গে এই জনারণ্যে ছিলেন প্রৌঢ় ও শিশুরা। শহীদ মিনার ছাড়াও আজিমপুর কবরস্থানে ভাষাশহীদদের কবর জিয়ারতও করেছেন তাঁরা। শনিবার রাত ১১টার পর থেকেই শাহবাগ, আজিমপুর, নীলক্ষেত, দোয়েল চত্বরসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যেতে প্রতিটি প্রবেশপথ-জুড়েই ছিল মিছিলের সারি। সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার—ভাষাশহীদদের রক্তে রঞ্জিত হয়ে যেন পুব আকাশে উঁকি দেয় ভোরের লাল সূর্য। আর সেই আলোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মানুষের সমাবেশ। ভোর ছয়টার পর থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ভিড় ছিল সবচেয়ে বেশি। এ সময় একের পর এক আসতে থাকে মিছিল। এই মিছিলের সারি আশপাশের প্রায় দুই বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
Labels:
Nejam Kutubi Wish






